, বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অনুমোদনহীন স্লিপার বাস বন্ধে রংপুরে বিআরটিএ’র সতর্কবার্তা বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের রংপুর বিভাগীয় সম্মেলনে কুতুব উদ্দিনকে বেলায়েত হোসেন বাবুর ফুলেল শুভেচ্ছা ‎আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট বা এআই’র কাছে এই ৫ পরামর্শ চাইবেন না ‎ ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ক্যাপস্টোন কোর্স সম্পন্ন করে সনদ গ্রহণ করলেন এমপি ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান রুহুল কবির রিজভীকে শুভেচ্ছা জানালেন রিয়াজ তুহিন স্লিপার বাস কতটা নিরাপদ, প্রশ্ন যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হলেন রুহুল কবির রিজভী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রংপুরের নতুন জেলা প্রশাসক মিজ ইসরাত জাহান

গ্রামের হাটে দেশীয় বিলের মাছের সমাহার, জমজমাট বেচাকেনা

  • প্রকাশের সময় : ০৫:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
  • ৪৬ পড়া হয়েছে

গ্রামের হাটবাজারে এখনো পাওয়া যাচ্ছে দেশীয় বিলের নানা প্রজাতির তাজা মাছ। ভোর থেকেই জেলেরা ও স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরা বিল, নদী-নালা ও জলাশয় থেকে আহরণ করা মাছ নিয়ে হাটে আসছেন। এসব মাছ কিনতে ভিড় করছেন স্থানীয় ক্রেতারাও।

হাটে শোল, বোয়ালি, টেংরা, শিং, মাগুর, কৈ, পুঁটি, খলিশা, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ দেখা যাচ্ছে। কৃত্রিমভাবে চাষ করা মাছের তুলনায় দেশীয় মাছের স্বাদ ও চাহিদা বেশি থাকায় ক্রেতাদের আগ্রহও চোখে পড়ার মতো।

স্থানীয় মাছ বিক্রেতারা জানান, বর্ষা মৌসুমে বিল ও জলাশয়ে পানি বাড়ায় দেশীয় মাছের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। তবে আগের তুলনায় দেশীয় মাছের পরিমাণ কমে যাওয়ায় অনেক প্রজাতির মাছের দামও তুলনামূলক বেশি।

ক্রেতারা বলছেন, গ্রামের হাটে তাজা দেশীয় মাছ পাওয়া গেলে তারা চাষের মাছের পরিবর্তে এসব মাছ কিনতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাদের মতে, দেশীয় মাছ শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, এটি আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্য ও জলজ জীববৈচিত্র্যেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

স্থানীয়রা বলছেন, বিল-ঝিল ও জলাশয় রক্ষা, অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধ এবং দেশীয় মাছের প্রজননক্ষেত্র সংরক্ষণ করা গেলে ভবিষ্যতে এসব মাছের উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব।

জনপ্রিয়

অনুমোদনহীন স্লিপার বাস বন্ধে রংপুরে বিআরটিএ’র সতর্কবার্তা

গ্রামের হাটে দেশীয় বিলের মাছের সমাহার, জমজমাট বেচাকেনা

প্রকাশের সময় : ০৫:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

গ্রামের হাটবাজারে এখনো পাওয়া যাচ্ছে দেশীয় বিলের নানা প্রজাতির তাজা মাছ। ভোর থেকেই জেলেরা ও স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরা বিল, নদী-নালা ও জলাশয় থেকে আহরণ করা মাছ নিয়ে হাটে আসছেন। এসব মাছ কিনতে ভিড় করছেন স্থানীয় ক্রেতারাও।

হাটে শোল, বোয়ালি, টেংরা, শিং, মাগুর, কৈ, পুঁটি, খলিশা, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ দেখা যাচ্ছে। কৃত্রিমভাবে চাষ করা মাছের তুলনায় দেশীয় মাছের স্বাদ ও চাহিদা বেশি থাকায় ক্রেতাদের আগ্রহও চোখে পড়ার মতো।

স্থানীয় মাছ বিক্রেতারা জানান, বর্ষা মৌসুমে বিল ও জলাশয়ে পানি বাড়ায় দেশীয় মাছের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। তবে আগের তুলনায় দেশীয় মাছের পরিমাণ কমে যাওয়ায় অনেক প্রজাতির মাছের দামও তুলনামূলক বেশি।

ক্রেতারা বলছেন, গ্রামের হাটে তাজা দেশীয় মাছ পাওয়া গেলে তারা চাষের মাছের পরিবর্তে এসব মাছ কিনতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাদের মতে, দেশীয় মাছ শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, এটি আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্য ও জলজ জীববৈচিত্র্যেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

স্থানীয়রা বলছেন, বিল-ঝিল ও জলাশয় রক্ষা, অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধ এবং দেশীয় মাছের প্রজননক্ষেত্র সংরক্ষণ করা গেলে ভবিষ্যতে এসব মাছের উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব।