, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৯টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ আনিছুর রহমান লাকুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে রংপুর জেলা বিএনপির দুই দিনের কর্মসূচি রংপুর নগরীর ঠিাকাদার পাড়ায় ৪০ বছরের পুরনো মন্দিরের জায়গা নিয়ে ক্ষোভ, সম্প্রীতি রক্ষায় তৎপর প্রশাসন। বিমানবন্দরে যাত্রীসেবা নিয়ে আলোচনায় ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ, ফের দায়িত্ব দেওয়ার দাবি অনলাইন জুয়ায় দিশেহারা তরুণ সমাজ সর্বস্ব হারিয়ে ঋণের বোঝা, বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি ও প্রতারণার ঝুঁকি সাংবাদিক আব্দুল বারী দুলালের ওপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ ত্যাগী ও কর্মহীন নেতাকর্মীদের কর্মসংস্থানের দাবি তারেক রহমানের কাছে রংপুর মহানগর যুবদল নেতার খোলা চিঠি পরিচয় গোপন রেখে প্রতিদিন শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ গাজীপুরে সাংবাদিক ফাতেমা আক্তারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি আবু সাঈদের বাড়ি ও কবরস্থান উন্নয়নে এক কোটি টাকা দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

  • প্রকাশের সময় : ১১:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
  • ২০৫ পড়া হয়েছে

রংপুর প্রতিনিধি: প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে সাইবার অপরাধের ধরন ও ঝুঁকি বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের সচেতন ও দক্ষ করে তুলতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের স্কলারশিপ সাপোর্ট অফিস (SSO)-এর উদ্যোগে ‘সাইবার নিরাপত্তা ও ডিজিটাল সুরক্ষা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মশালায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ। তিনি বলেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে অনলাইন প্রতারণা, ডিজিটাল হয়রানি, ভুয়া পরিচয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্টসহ বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ নতুন নতুন কৌশলে সংঘটিত হচ্ছে। এসব অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ ডিজিটাল আচরণ গড়ে তোলা সময়ের দাবি।

তিনি বলেন, সাইবার অপরাধের শিকার হলে ভয় বা সংকোচ না করে দ্রুত আইনগত সহায়তা নিতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করতে হবে। যথাযথ অভিযোগের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত, ডিজিটাল ফরেনসিক এবং তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপরাধী শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম।

পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, কোনো ডিজিটাল ডিভাইস থেকে তথ্য মুছে ফেলা হলেও আধুনিক ডিজিটাল ফরেনসিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই তা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। একইভাবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে তৈরি কনটেন্ট এবং প্রকৃত ডিজিটাল তথ্যের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আদালতে ডিজিটাল প্রমাণ ও বিশেষজ্ঞ মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দায়িত্বশীল প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে বাস্তবধর্মী দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

  • আয়োজকরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
জনপ্রিয়

৯টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

প্রকাশের সময় : ১১:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬

রংপুর প্রতিনিধি: প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে সাইবার অপরাধের ধরন ও ঝুঁকি বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের সচেতন ও দক্ষ করে তুলতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের স্কলারশিপ সাপোর্ট অফিস (SSO)-এর উদ্যোগে ‘সাইবার নিরাপত্তা ও ডিজিটাল সুরক্ষা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মশালায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ। তিনি বলেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে অনলাইন প্রতারণা, ডিজিটাল হয়রানি, ভুয়া পরিচয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্টসহ বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ নতুন নতুন কৌশলে সংঘটিত হচ্ছে। এসব অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ ডিজিটাল আচরণ গড়ে তোলা সময়ের দাবি।

তিনি বলেন, সাইবার অপরাধের শিকার হলে ভয় বা সংকোচ না করে দ্রুত আইনগত সহায়তা নিতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করতে হবে। যথাযথ অভিযোগের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত, ডিজিটাল ফরেনসিক এবং তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপরাধী শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম।

পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, কোনো ডিজিটাল ডিভাইস থেকে তথ্য মুছে ফেলা হলেও আধুনিক ডিজিটাল ফরেনসিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই তা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। একইভাবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে তৈরি কনটেন্ট এবং প্রকৃত ডিজিটাল তথ্যের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আদালতে ডিজিটাল প্রমাণ ও বিশেষজ্ঞ মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দায়িত্বশীল প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে বাস্তবধর্মী দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

  • আয়োজকরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।