, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৯টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ আনিছুর রহমান লাকুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে রংপুর জেলা বিএনপির দুই দিনের কর্মসূচি রংপুর নগরীর ঠিাকাদার পাড়ায় ৪০ বছরের পুরনো মন্দিরের জায়গা নিয়ে ক্ষোভ, সম্প্রীতি রক্ষায় তৎপর প্রশাসন। বিমানবন্দরে যাত্রীসেবা নিয়ে আলোচনায় ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ, ফের দায়িত্ব দেওয়ার দাবি অনলাইন জুয়ায় দিশেহারা তরুণ সমাজ সর্বস্ব হারিয়ে ঋণের বোঝা, বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি ও প্রতারণার ঝুঁকি সাংবাদিক আব্দুল বারী দুলালের ওপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ ত্যাগী ও কর্মহীন নেতাকর্মীদের কর্মসংস্থানের দাবি তারেক রহমানের কাছে রংপুর মহানগর যুবদল নেতার খোলা চিঠি পরিচয় গোপন রেখে প্রতিদিন শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ গাজীপুরে সাংবাদিক ফাতেমা আক্তারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি আবু সাঈদের বাড়ি ও কবরস্থান উন্নয়নে এক কোটি টাকা দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

নারীদের যেসব রোগ বেশি হয়: সচেতনতা ও প্রতিরোধেই সুরক্ষা

  • প্রকাশের সময় : ০৭:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • ২১৮ পড়া হয়েছে

নারীরা শারীরিক গঠন, হরমোনজনিত পরিবর্তন এবং জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের কারণে কিছু নির্দিষ্ট রোগে তুলনামূলকভাবে বেশি আক্রান্ত হন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন অনেক জটিলতা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, নারীদের মধ্যে স্তন ক্যানসার, জরায়ুমুখের ক্যানসার, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস), থাইরয়েডের সমস্যা, রক্তশূন্যতা (অ্যানিমিয়া), অস্টিওপোরোসিস, ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো রোগের প্রকোপ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া গর্ভাবস্থা ও সন্তান জন্মদানের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জটিলতাও নারীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

বিশেষজ্ঞরা জানান, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, মানসিক চাপ, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোর কারণে অনেক রোগ প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত হয় না। ফলে পরবর্তীতে চিকিৎসা আরও জটিল হয়ে পড়ে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত বিশ্রাম, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য থেকে বিরত থাকা এবং নির্ধারিত সময়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো জরুরি। বিশেষ করে ৩০ বছর বয়সের পর নিয়মিত স্তন পরীক্ষা, জরায়ুমুখের ক্যানসার শনাক্তে স্ক্রিনিং এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নারীদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে অধিকাংশ রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। তাই নিজের সুস্থতার জন্য প্রতিটি নারীর নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ এবং যেকোনো অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

জনপ্রিয়

৯টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ

নারীদের যেসব রোগ বেশি হয়: সচেতনতা ও প্রতিরোধেই সুরক্ষা

প্রকাশের সময় : ০৭:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

নারীরা শারীরিক গঠন, হরমোনজনিত পরিবর্তন এবং জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের কারণে কিছু নির্দিষ্ট রোগে তুলনামূলকভাবে বেশি আক্রান্ত হন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন অনেক জটিলতা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, নারীদের মধ্যে স্তন ক্যানসার, জরায়ুমুখের ক্যানসার, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস), থাইরয়েডের সমস্যা, রক্তশূন্যতা (অ্যানিমিয়া), অস্টিওপোরোসিস, ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো রোগের প্রকোপ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া গর্ভাবস্থা ও সন্তান জন্মদানের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জটিলতাও নারীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

বিশেষজ্ঞরা জানান, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, মানসিক চাপ, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোর কারণে অনেক রোগ প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত হয় না। ফলে পরবর্তীতে চিকিৎসা আরও জটিল হয়ে পড়ে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত বিশ্রাম, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য থেকে বিরত থাকা এবং নির্ধারিত সময়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো জরুরি। বিশেষ করে ৩০ বছর বয়সের পর নিয়মিত স্তন পরীক্ষা, জরায়ুমুখের ক্যানসার শনাক্তে স্ক্রিনিং এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নারীদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে অধিকাংশ রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। তাই নিজের সুস্থতার জন্য প্রতিটি নারীর নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ এবং যেকোনো অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।