
প্রযুক্তির সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ডেটিং অ্যাপের আড়ালে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি অসাধু চক্র—এমন অভিযোগ ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে। পরিচয়, বন্ধুত্ব ও প্রেমের সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে পরে অর্থের বিনিময়ে যৌনসেবা দেওয়ার প্রস্তাব, প্রতারণা এবং ব্ল্যাকমেইলের মতো গুরুতর অভিযোগও উঠছে।
অভিযোগ রয়েছে, চক্রের সদস্যরা ডেটিং অ্যাপে আকর্ষণীয় ছবি ও ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। কিছুদিন কথাবার্তার পর তাদের অন্য মেসেজিং প্ল্যাটফর্মে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর গোপনে সাক্ষাতের প্রস্তাব এবং অর্থের বিনিময়ে যৌনসেবার কথা বলা হয়। অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও সংগ্রহ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি ও সাইবার তদন্ত জোরদারের দাবি
সচেতন মহলের অভিযোগ, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অপরাধের এমন বিস্তার শুধু সামাজিক অবক্ষয়ই নয়, তরুণ প্রজন্মের জন্যও বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে। ডেটিং অ্যাপের আড়ালে সংঘটিত অপরাধের সঙ্গে কারা জড়িত, কীভাবে এসব নেটওয়ার্ক পরিচালিত হচ্ছে এবং অর্থ লেনদেনের উৎস কোথায়—তা খতিয়ে দেখতে কার্যকর সাইবার তদন্ত প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা অ্যাপকে প্রমাণ ছাড়া দেহব্যবসার সঙ্গে জড়ানো উচিত নয়। তবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে অনলাইনে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি ও ভিডিও শেয়ার না করা এবং সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সচেতন মহল।


























