, বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অনুমোদনহীন স্লিপার বাস বন্ধে রংপুরে বিআরটিএ’র সতর্কবার্তা বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের রংপুর বিভাগীয় সম্মেলনে কুতুব উদ্দিনকে বেলায়েত হোসেন বাবুর ফুলেল শুভেচ্ছা ‎আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট বা এআই’র কাছে এই ৫ পরামর্শ চাইবেন না ‎ ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ক্যাপস্টোন কোর্স সম্পন্ন করে সনদ গ্রহণ করলেন এমপি ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান রুহুল কবির রিজভীকে শুভেচ্ছা জানালেন রিয়াজ তুহিন স্লিপার বাস কতটা নিরাপদ, প্রশ্ন যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হলেন রুহুল কবির রিজভী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রংপুরের নতুন জেলা প্রশাসক মিজ ইসরাত জাহান

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহায়তা কামনা বিরোধীদলীয় নেতার

  • প্রকাশের সময় : ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • ১৩৯ পড়া হয়েছে

রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত সমাধান ও মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা কামনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ সহযোগিতা চান। রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

সাক্ষাৎকালে উভয়ে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্তরিক ও ফলপ্রসূ আলোচনা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক, কূটনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাকে আরও বেগবান করতে উভয় দেশ একযোগে কাজ করবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ ছাড়া তিস্তা ব্যারাজ মহা পরিকল্পনা, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডোর এবং বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ ও প্রস্তাবিত বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিরোধীদলীয় নেতা রোহিঙ্গা সমস্যার আশু সমাধান ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবাসনে চীন সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চীনা দূতাবাসের রাজনৈতিক সেকশনের পরিচালক ঝ্যাং জিং ও পলিটিক্যাল অ্যাটাশে রু কি এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান ও পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। উভয় পক্ষ উল্লেখ করে, দুই দেশের জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন সহযোগিতা, পারস্পরিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে এই বন্ধুত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও গভীর ও বহুমাত্রিক হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।

জনপ্রিয়

অনুমোদনহীন স্লিপার বাস বন্ধে রংপুরে বিআরটিএ’র সতর্কবার্তা

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহায়তা কামনা বিরোধীদলীয় নেতার

প্রকাশের সময় : ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত সমাধান ও মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা কামনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ সহযোগিতা চান। রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

সাক্ষাৎকালে উভয়ে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্তরিক ও ফলপ্রসূ আলোচনা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক, কূটনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাকে আরও বেগবান করতে উভয় দেশ একযোগে কাজ করবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ ছাড়া তিস্তা ব্যারাজ মহা পরিকল্পনা, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডোর এবং বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ ও প্রস্তাবিত বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিরোধীদলীয় নেতা রোহিঙ্গা সমস্যার আশু সমাধান ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবাসনে চীন সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চীনা দূতাবাসের রাজনৈতিক সেকশনের পরিচালক ঝ্যাং জিং ও পলিটিক্যাল অ্যাটাশে রু কি এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান ও পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। উভয় পক্ষ উল্লেখ করে, দুই দেশের জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন সহযোগিতা, পারস্পরিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে এই বন্ধুত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও গভীর ও বহুমাত্রিক হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।