, বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অনুমোদনহীন স্লিপার বাস বন্ধে রংপুরে বিআরটিএ’র সতর্কবার্তা বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের রংপুর বিভাগীয় সম্মেলনে কুতুব উদ্দিনকে বেলায়েত হোসেন বাবুর ফুলেল শুভেচ্ছা ‎আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট বা এআই’র কাছে এই ৫ পরামর্শ চাইবেন না ‎ ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ক্যাপস্টোন কোর্স সম্পন্ন করে সনদ গ্রহণ করলেন এমপি ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান রুহুল কবির রিজভীকে শুভেচ্ছা জানালেন রিয়াজ তুহিন স্লিপার বাস কতটা নিরাপদ, প্রশ্ন যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হলেন রুহুল কবির রিজভী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রংপুরের নতুন জেলা প্রশাসক মিজ ইসরাত জাহান

গোপন দান: ইসলামের দৃষ্টিতে সর্বোত্তম সদকার অন্যতম

  • প্রকাশের সময় : ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • ৭৬ পড়া হয়েছে

ইসলামে দান-সদকাকে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। তবে এমন দান, যা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে নয় বরং একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য গোপনে করা হয়, তার মর্যাদা আরও বেশি।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, “যদি তোমরা প্রকাশ্যে দান কর, তবে তা ভালো। আর যদি গোপনে দরিদ্রদের দাও, তবে তা তোমাদের জন্য আরও উত্তম।” (সুরা আল-বাকারা: ২৭১)

হাদিসেও গোপন দানের বিশেষ ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা সাত শ্রেণির মানুষকে তাঁর আরশের ছায়ায় স্থান দেবেন। তাদের মধ্যে একজন হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি এমনভাবে দান করেন যে, তার ডান হাত যা দান করে, বাম হাতও তা জানতে পারে না। (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, গোপন দান মানুষের অন্তরে আন্তরিকতা সৃষ্টি করে, রিয়া (লোক দেখানো) থেকে রক্ষা করে এবং অসহায় মানুষের সম্মানও অক্ষুণ্ন রাখে।

সমাজে প্রকৃত মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে সামর্থ্যবানদের গোপনে দান-সদকা করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন আলেমরা। তারা বলেন, দান যেন প্রচারের মাধ্যম না হয়ে মানবসেবা ও ইবাদতের একটি আন্তরিক প্রকাশ হয়—এটাই ইসলামের শিক্ষা।

জনপ্রিয়

অনুমোদনহীন স্লিপার বাস বন্ধে রংপুরে বিআরটিএ’র সতর্কবার্তা

গোপন দান: ইসলামের দৃষ্টিতে সর্বোত্তম সদকার অন্যতম

প্রকাশের সময় : ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

ইসলামে দান-সদকাকে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। তবে এমন দান, যা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে নয় বরং একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য গোপনে করা হয়, তার মর্যাদা আরও বেশি।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, “যদি তোমরা প্রকাশ্যে দান কর, তবে তা ভালো। আর যদি গোপনে দরিদ্রদের দাও, তবে তা তোমাদের জন্য আরও উত্তম।” (সুরা আল-বাকারা: ২৭১)

হাদিসেও গোপন দানের বিশেষ ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা সাত শ্রেণির মানুষকে তাঁর আরশের ছায়ায় স্থান দেবেন। তাদের মধ্যে একজন হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি এমনভাবে দান করেন যে, তার ডান হাত যা দান করে, বাম হাতও তা জানতে পারে না। (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, গোপন দান মানুষের অন্তরে আন্তরিকতা সৃষ্টি করে, রিয়া (লোক দেখানো) থেকে রক্ষা করে এবং অসহায় মানুষের সম্মানও অক্ষুণ্ন রাখে।

সমাজে প্রকৃত মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে সামর্থ্যবানদের গোপনে দান-সদকা করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন আলেমরা। তারা বলেন, দান যেন প্রচারের মাধ্যম না হয়ে মানবসেবা ও ইবাদতের একটি আন্তরিক প্রকাশ হয়—এটাই ইসলামের শিক্ষা।