, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৯টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ আনিছুর রহমান লাকুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে রংপুর জেলা বিএনপির দুই দিনের কর্মসূচি রংপুর নগরীর ঠিাকাদার পাড়ায় ৪০ বছরের পুরনো মন্দিরের জায়গা নিয়ে ক্ষোভ, সম্প্রীতি রক্ষায় তৎপর প্রশাসন। বিমানবন্দরে যাত্রীসেবা নিয়ে আলোচনায় ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ, ফের দায়িত্ব দেওয়ার দাবি অনলাইন জুয়ায় দিশেহারা তরুণ সমাজ সর্বস্ব হারিয়ে ঋণের বোঝা, বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি ও প্রতারণার ঝুঁকি সাংবাদিক আব্দুল বারী দুলালের ওপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ ত্যাগী ও কর্মহীন নেতাকর্মীদের কর্মসংস্থানের দাবি তারেক রহমানের কাছে রংপুর মহানগর যুবদল নেতার খোলা চিঠি পরিচয় গোপন রেখে প্রতিদিন শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ গাজীপুরে সাংবাদিক ফাতেমা আক্তারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি আবু সাঈদের বাড়ি ও কবরস্থান উন্নয়নে এক কোটি টাকা দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

বাবার অপেক্ষায় থাকবে ছোট্ট সন্তান, সাজন হত্যার বিচার চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার

  • প্রকাশের সময় : ০৬:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • ২০৫ পড়া হয়েছে

রংপুর প্রতিনিধি: রংপুর নগরীর খামার মোড় এলাকায় হাতুড়িপেটায় যুবক সাজন হত্যার ঘটনায় শোক ও ক্ষোভে ফেটে পড়েছে তার পরিবার ও এলাকাবাসী। স্বজনদের আহাজারি আর কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে চারপাশ। তারা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, সাজন ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল ও শান্ত স্বভাবের মানুষ। কারও সঙ্গে তার কোনো শত্রুতা ছিল না। সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু নির্মম হামলায় অকালে ঝরে গেল তার জীবন, আর বাবার স্নেহ-ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হয়ে এতিম হয়ে গেল তার ছোট্ট সন্তান।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে স্বজনরা বলেন, “সাজন খুব ভালো মানুষ ছিল। কারও ক্ষতি করতো না। তার ছোট্ট সন্তানটি এখন বাবাহারা। আমরা আমাদের আপনজনকে আর ফিরে পাবো না, কিন্তু হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দেখতে চাই।”

সাজনের মৃত্যুর খবরে পুরো এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রতিবেশী ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

একদিকে স্বজনদের বুকফাটা কান্না, অন্যদিকে বাবাকে হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া ছোট্ট সন্তান—সব মিলিয়ে খামার মোড় এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশ। প্রিয়জনকে হারানোর বেদনায় বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা।

স্বজনদের একটাই দাবি—“সাজন হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে আর কোনো পরিবারকে এভাবে প্রিয়জন হারানোর বেদনা বয়ে বেড়াতে না হয়।

জনপ্রিয়

৯টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ

বাবার অপেক্ষায় থাকবে ছোট্ট সন্তান, সাজন হত্যার বিচার চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার

প্রকাশের সময় : ০৬:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

রংপুর প্রতিনিধি: রংপুর নগরীর খামার মোড় এলাকায় হাতুড়িপেটায় যুবক সাজন হত্যার ঘটনায় শোক ও ক্ষোভে ফেটে পড়েছে তার পরিবার ও এলাকাবাসী। স্বজনদের আহাজারি আর কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে চারপাশ। তারা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, সাজন ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল ও শান্ত স্বভাবের মানুষ। কারও সঙ্গে তার কোনো শত্রুতা ছিল না। সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু নির্মম হামলায় অকালে ঝরে গেল তার জীবন, আর বাবার স্নেহ-ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হয়ে এতিম হয়ে গেল তার ছোট্ট সন্তান।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে স্বজনরা বলেন, “সাজন খুব ভালো মানুষ ছিল। কারও ক্ষতি করতো না। তার ছোট্ট সন্তানটি এখন বাবাহারা। আমরা আমাদের আপনজনকে আর ফিরে পাবো না, কিন্তু হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দেখতে চাই।”

সাজনের মৃত্যুর খবরে পুরো এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রতিবেশী ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

একদিকে স্বজনদের বুকফাটা কান্না, অন্যদিকে বাবাকে হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া ছোট্ট সন্তান—সব মিলিয়ে খামার মোড় এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশ। প্রিয়জনকে হারানোর বেদনায় বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা।

স্বজনদের একটাই দাবি—“সাজন হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে আর কোনো পরিবারকে এভাবে প্রিয়জন হারানোর বেদনা বয়ে বেড়াতে না হয়।