, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গত ১০ জুলাই থেকে নিখোঁজ আবেদা আক্তার – সন্ধান চায় পরিবার প্রবীণ সাংবাদিক তৌহিদুল ইসলাম বাবলা আর নেই প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয়ে পারিবারিক বিরোধে সাংবাদিককে হুমকি, পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন রংপুর মহানগর স্বর্ণ শিল্পী শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রংপুরে টার্মিনাল মৎস্য আড়ত মার্কেটের নির্মাণাধীন ফাউন্ডেশন ঢালাই কাজের শুভ উদ্বোধন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহায়তা কামনা বিরোধীদলীয় নেতার দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু রংপুরে রাস্তা পাকাকরণ কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জুলাই জাতীয় সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০ আগস্টের বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হবে

বাবার অপেক্ষায় থাকবে ছোট্ট সন্তান, সাজন হত্যার বিচার চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার

  • প্রকাশের সময় : ০৬:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • ৩৫ পড়া হয়েছে

রংপুর প্রতিনিধি: রংপুর নগরীর খামার মোড় এলাকায় হাতুড়িপেটায় যুবক সাজন হত্যার ঘটনায় শোক ও ক্ষোভে ফেটে পড়েছে তার পরিবার ও এলাকাবাসী। স্বজনদের আহাজারি আর কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে চারপাশ। তারা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, সাজন ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল ও শান্ত স্বভাবের মানুষ। কারও সঙ্গে তার কোনো শত্রুতা ছিল না। সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু নির্মম হামলায় অকালে ঝরে গেল তার জীবন, আর বাবার স্নেহ-ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হয়ে এতিম হয়ে গেল তার ছোট্ট সন্তান।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে স্বজনরা বলেন, “সাজন খুব ভালো মানুষ ছিল। কারও ক্ষতি করতো না। তার ছোট্ট সন্তানটি এখন বাবাহারা। আমরা আমাদের আপনজনকে আর ফিরে পাবো না, কিন্তু হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দেখতে চাই।”

সাজনের মৃত্যুর খবরে পুরো এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রতিবেশী ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

একদিকে স্বজনদের বুকফাটা কান্না, অন্যদিকে বাবাকে হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া ছোট্ট সন্তান—সব মিলিয়ে খামার মোড় এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশ। প্রিয়জনকে হারানোর বেদনায় বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা।

স্বজনদের একটাই দাবি—“সাজন হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে আর কোনো পরিবারকে এভাবে প্রিয়জন হারানোর বেদনা বয়ে বেড়াতে না হয়।

জনপ্রিয়

গত ১০ জুলাই থেকে নিখোঁজ আবেদা আক্তার – সন্ধান চায় পরিবার

বাবার অপেক্ষায় থাকবে ছোট্ট সন্তান, সাজন হত্যার বিচার চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার

প্রকাশের সময় : ০৬:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

রংপুর প্রতিনিধি: রংপুর নগরীর খামার মোড় এলাকায় হাতুড়িপেটায় যুবক সাজন হত্যার ঘটনায় শোক ও ক্ষোভে ফেটে পড়েছে তার পরিবার ও এলাকাবাসী। স্বজনদের আহাজারি আর কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে চারপাশ। তারা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, সাজন ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল ও শান্ত স্বভাবের মানুষ। কারও সঙ্গে তার কোনো শত্রুতা ছিল না। সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু নির্মম হামলায় অকালে ঝরে গেল তার জীবন, আর বাবার স্নেহ-ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হয়ে এতিম হয়ে গেল তার ছোট্ট সন্তান।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে স্বজনরা বলেন, “সাজন খুব ভালো মানুষ ছিল। কারও ক্ষতি করতো না। তার ছোট্ট সন্তানটি এখন বাবাহারা। আমরা আমাদের আপনজনকে আর ফিরে পাবো না, কিন্তু হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দেখতে চাই।”

সাজনের মৃত্যুর খবরে পুরো এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রতিবেশী ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

একদিকে স্বজনদের বুকফাটা কান্না, অন্যদিকে বাবাকে হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া ছোট্ট সন্তান—সব মিলিয়ে খামার মোড় এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশ। প্রিয়জনকে হারানোর বেদনায় বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা।

স্বজনদের একটাই দাবি—“সাজন হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে আর কোনো পরিবারকে এভাবে প্রিয়জন হারানোর বেদনা বয়ে বেড়াতে না হয়।