, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গত ১০ জুলাই থেকে নিখোঁজ আবেদা আক্তার – সন্ধান চায় পরিবার প্রবীণ সাংবাদিক তৌহিদুল ইসলাম বাবলা আর নেই প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয়ে পারিবারিক বিরোধে সাংবাদিককে হুমকি, পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন রংপুর মহানগর স্বর্ণ শিল্পী শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রংপুরে টার্মিনাল মৎস্য আড়ত মার্কেটের নির্মাণাধীন ফাউন্ডেশন ঢালাই কাজের শুভ উদ্বোধন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহায়তা কামনা বিরোধীদলীয় নেতার দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু রংপুরে রাস্তা পাকাকরণ কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জুলাই জাতীয় সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০ আগস্টের বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হবে

সীতাকুণ্ডে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার শিশু, শেষ পর্যন্ত বাঁচানো গেল না

  • প্রকাশের সময় : ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • ২৬৭ পড়া হয়েছে

 

 

নিহত ইরা কুমিরা ইউনিয়নের মাস্টারপাড়ার বাসিন্দা। তার বাবা মনিরুল ইসলাম জানান, বাড়ির সামনে খেলতে গিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয় তার মেয়ে। চারদিকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ইকোপার্কে গলাকাটা অবস্থায় একটি শিশুকে পাওয়ার খবর পান তারা। পরে হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারেন, সেটি তারই আদরের মেয়ে। “মেয়েকে বাঁচাতে সব চেষ্টা করেছি। দুইবার অপারেশনও হলো। কিন্তু জ্ঞান আর ফিরল না…”—কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন তিনি।

ইকোপার্ক-চন্দ্রনাথ ধামে যাওয়ার সড়কের কাজ চলাকালে শ্রমিকরা বনের ভেতর রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে দেখতে পান। তার শ্বাসনালী দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। দ্রুত একটি মালবাহী গাড়িতে করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে শিশুটির সঙ্গে অন্য কাউকে দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন ইকোপার্ক রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন।

এ ঘটনায় সীতাকুণ্ড মডেল থানা-এ শিশু অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্তে অভিযান চলছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ।

নিষ্পাপ এই শিশুহত্যা পুরো এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন

জনপ্রিয়

গত ১০ জুলাই থেকে নিখোঁজ আবেদা আক্তার – সন্ধান চায় পরিবার

সীতাকুণ্ডে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার শিশু, শেষ পর্যন্ত বাঁচানো গেল না

প্রকাশের সময় : ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

 

 

নিহত ইরা কুমিরা ইউনিয়নের মাস্টারপাড়ার বাসিন্দা। তার বাবা মনিরুল ইসলাম জানান, বাড়ির সামনে খেলতে গিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয় তার মেয়ে। চারদিকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ইকোপার্কে গলাকাটা অবস্থায় একটি শিশুকে পাওয়ার খবর পান তারা। পরে হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারেন, সেটি তারই আদরের মেয়ে। “মেয়েকে বাঁচাতে সব চেষ্টা করেছি। দুইবার অপারেশনও হলো। কিন্তু জ্ঞান আর ফিরল না…”—কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন তিনি।

ইকোপার্ক-চন্দ্রনাথ ধামে যাওয়ার সড়কের কাজ চলাকালে শ্রমিকরা বনের ভেতর রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে দেখতে পান। তার শ্বাসনালী দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। দ্রুত একটি মালবাহী গাড়িতে করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে শিশুটির সঙ্গে অন্য কাউকে দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন ইকোপার্ক রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন।

এ ঘটনায় সীতাকুণ্ড মডেল থানা-এ শিশু অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্তে অভিযান চলছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ।

নিষ্পাপ এই শিশুহত্যা পুরো এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন