, বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অনুমোদনহীন স্লিপার বাস বন্ধে রংপুরে বিআরটিএ’র সতর্কবার্তা বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের রংপুর বিভাগীয় সম্মেলনে কুতুব উদ্দিনকে বেলায়েত হোসেন বাবুর ফুলেল শুভেচ্ছা ‎আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট বা এআই’র কাছে এই ৫ পরামর্শ চাইবেন না ‎ ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ক্যাপস্টোন কোর্স সম্পন্ন করে সনদ গ্রহণ করলেন এমপি ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান রুহুল কবির রিজভীকে শুভেচ্ছা জানালেন রিয়াজ তুহিন স্লিপার বাস কতটা নিরাপদ, প্রশ্ন যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হলেন রুহুল কবির রিজভী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রংপুরের নতুন জেলা প্রশাসক মিজ ইসরাত জাহান

সীতাকুণ্ডে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার শিশু, শেষ পর্যন্ত বাঁচানো গেল না

  • প্রকাশের সময় : ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • ৩৪৯ পড়া হয়েছে

 

 

নিহত ইরা কুমিরা ইউনিয়নের মাস্টারপাড়ার বাসিন্দা। তার বাবা মনিরুল ইসলাম জানান, বাড়ির সামনে খেলতে গিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয় তার মেয়ে। চারদিকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ইকোপার্কে গলাকাটা অবস্থায় একটি শিশুকে পাওয়ার খবর পান তারা। পরে হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারেন, সেটি তারই আদরের মেয়ে। “মেয়েকে বাঁচাতে সব চেষ্টা করেছি। দুইবার অপারেশনও হলো। কিন্তু জ্ঞান আর ফিরল না…”—কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন তিনি।

ইকোপার্ক-চন্দ্রনাথ ধামে যাওয়ার সড়কের কাজ চলাকালে শ্রমিকরা বনের ভেতর রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে দেখতে পান। তার শ্বাসনালী দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। দ্রুত একটি মালবাহী গাড়িতে করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে শিশুটির সঙ্গে অন্য কাউকে দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন ইকোপার্ক রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন।

এ ঘটনায় সীতাকুণ্ড মডেল থানা-এ শিশু অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্তে অভিযান চলছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ।

নিষ্পাপ এই শিশুহত্যা পুরো এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন

জনপ্রিয়

অনুমোদনহীন স্লিপার বাস বন্ধে রংপুরে বিআরটিএ’র সতর্কবার্তা

সীতাকুণ্ডে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার শিশু, শেষ পর্যন্ত বাঁচানো গেল না

প্রকাশের সময় : ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

 

 

নিহত ইরা কুমিরা ইউনিয়নের মাস্টারপাড়ার বাসিন্দা। তার বাবা মনিরুল ইসলাম জানান, বাড়ির সামনে খেলতে গিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয় তার মেয়ে। চারদিকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ইকোপার্কে গলাকাটা অবস্থায় একটি শিশুকে পাওয়ার খবর পান তারা। পরে হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারেন, সেটি তারই আদরের মেয়ে। “মেয়েকে বাঁচাতে সব চেষ্টা করেছি। দুইবার অপারেশনও হলো। কিন্তু জ্ঞান আর ফিরল না…”—কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন তিনি।

ইকোপার্ক-চন্দ্রনাথ ধামে যাওয়ার সড়কের কাজ চলাকালে শ্রমিকরা বনের ভেতর রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে দেখতে পান। তার শ্বাসনালী দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। দ্রুত একটি মালবাহী গাড়িতে করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে শিশুটির সঙ্গে অন্য কাউকে দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন ইকোপার্ক রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন।

এ ঘটনায় সীতাকুণ্ড মডেল থানা-এ শিশু অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্তে অভিযান চলছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ।

নিষ্পাপ এই শিশুহত্যা পুরো এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন