
নিহত ইরা কুমিরা ইউনিয়নের মাস্টারপাড়ার বাসিন্দা। তার বাবা মনিরুল ইসলাম জানান, বাড়ির সামনে খেলতে গিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয় তার মেয়ে। চারদিকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ইকোপার্কে গলাকাটা অবস্থায় একটি শিশুকে পাওয়ার খবর পান তারা। পরে হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারেন, সেটি তারই আদরের মেয়ে। “মেয়েকে বাঁচাতে সব চেষ্টা করেছি। দুইবার অপারেশনও হলো। কিন্তু জ্ঞান আর ফিরল না…”—কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন তিনি।
ইকোপার্ক-চন্দ্রনাথ ধামে যাওয়ার সড়কের কাজ চলাকালে শ্রমিকরা বনের ভেতর রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে দেখতে পান। তার শ্বাসনালী দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। দ্রুত একটি মালবাহী গাড়িতে করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে শিশুটির সঙ্গে অন্য কাউকে দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন ইকোপার্ক রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন।
এ ঘটনায় সীতাকুণ্ড মডেল থানা-এ শিশু অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্তে অভিযান চলছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ।
নিষ্পাপ এই শিশুহত্যা পুরো এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন