, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৯টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ আনিছুর রহমান লাকুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে রংপুর জেলা বিএনপির দুই দিনের কর্মসূচি রংপুর নগরীর ঠিাকাদার পাড়ায় ৪০ বছরের পুরনো মন্দিরের জায়গা নিয়ে ক্ষোভ, সম্প্রীতি রক্ষায় তৎপর প্রশাসন। বিমানবন্দরে যাত্রীসেবা নিয়ে আলোচনায় ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ, ফের দায়িত্ব দেওয়ার দাবি অনলাইন জুয়ায় দিশেহারা তরুণ সমাজ সর্বস্ব হারিয়ে ঋণের বোঝা, বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি ও প্রতারণার ঝুঁকি সাংবাদিক আব্দুল বারী দুলালের ওপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ ত্যাগী ও কর্মহীন নেতাকর্মীদের কর্মসংস্থানের দাবি তারেক রহমানের কাছে রংপুর মহানগর যুবদল নেতার খোলা চিঠি পরিচয় গোপন রেখে প্রতিদিন শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ গাজীপুরে সাংবাদিক ফাতেমা আক্তারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি আবু সাঈদের বাড়ি ও কবরস্থান উন্নয়নে এক কোটি টাকা দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

রংপুরে থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধরের ঘটনায় কোতোয়ালি থানার ওসি আজাদ রহমান পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত

  • প্রকাশের সময় : ০১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ৯৪ পড়া হয়েছে

রংপুর মহানগরীর কোতোয়ালি থানার ভেতরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে আটক রেখে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে পুলিশের অভ্যন্তরে প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজাদ রহমানকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত এ ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি থানার প্রধান কর্মকর্তা ওসি আজাদ রহমানকেও বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে ঘটনায় দায়িত্বে থাকা নারী কনস্টেবল লিমা সরেন, ডিউটি অফিসার মেহেরুন্নেসা এবং সাব-ইন্সপেক্টর মাসুদ রানাকে পুলিশ লাইন্সে রিপোর্ট (ক্লোজ) করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত কার্যক্রমও শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর তার সঙ্গে অসদাচরণ এবং শারীরিক নির্যাতন করা হয়। বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে।

এদিকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে কারও দায়-দায়িত্ব প্রমাণিত হলে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ বাহিনীর শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ক্ষমতার অপব্যবহার বরদাশত করা হবে না বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে রংপুরজুড়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের ফলাফল এবং পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলসহ সাধারণ মানুষের।

জনপ্রিয়

৯টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ

রংপুরে থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধরের ঘটনায় কোতোয়ালি থানার ওসি আজাদ রহমান পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত

প্রকাশের সময় : ০১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

রংপুর মহানগরীর কোতোয়ালি থানার ভেতরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে আটক রেখে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে পুলিশের অভ্যন্তরে প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজাদ রহমানকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত এ ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি থানার প্রধান কর্মকর্তা ওসি আজাদ রহমানকেও বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে ঘটনায় দায়িত্বে থাকা নারী কনস্টেবল লিমা সরেন, ডিউটি অফিসার মেহেরুন্নেসা এবং সাব-ইন্সপেক্টর মাসুদ রানাকে পুলিশ লাইন্সে রিপোর্ট (ক্লোজ) করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত কার্যক্রমও শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর তার সঙ্গে অসদাচরণ এবং শারীরিক নির্যাতন করা হয়। বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে।

এদিকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে কারও দায়-দায়িত্ব প্রমাণিত হলে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ বাহিনীর শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ক্ষমতার অপব্যবহার বরদাশত করা হবে না বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে রংপুরজুড়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের ফলাফল এবং পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলসহ সাধারণ মানুষের।