, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গত ১০ জুলাই থেকে নিখোঁজ আবেদা আক্তার – সন্ধান চায় পরিবার প্রবীণ সাংবাদিক তৌহিদুল ইসলাম বাবলা আর নেই প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয়ে পারিবারিক বিরোধে সাংবাদিককে হুমকি, পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন রংপুর মহানগর স্বর্ণ শিল্পী শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রংপুরে টার্মিনাল মৎস্য আড়ত মার্কেটের নির্মাণাধীন ফাউন্ডেশন ঢালাই কাজের শুভ উদ্বোধন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহায়তা কামনা বিরোধীদলীয় নেতার দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু রংপুরে রাস্তা পাকাকরণ কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জুলাই জাতীয় সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০ আগস্টের বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হবে

শাজন খুব সহজ-সরল মানুষ ছিল, তার ছোট্ট সন্তানটির দিকে তাকিয়ে হলেও হত্যাকারীদের বিচার চাই’—স্বজনদের আকুতি

  • প্রকাশের সময় : ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • ৫২ পড়া হয়েছে

রংপুর নগরীর খামার মোড় এলাকায় নৃশংস হামলায় নিহত যুবক শাওনের পরিবারের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ এলাকা। পরিবারের সদস্যদের দাবি, শাজন ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল ও পরিশ্রমী মানুষ। তার একটি ছোট্ট সন্তান রয়েছে, যে বাবার স্নেহ-ভালোবাসা থেকে চিরদিনের জন্য বঞ্চিত হলো।

শোকাহত স্বজনরা বলেন, শাজন কারও সঙ্গে কোনো বিরোধে জড়াতেন না। পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু নির্মম হামলায় তার জীবন প্রদীপ নিভে যাওয়ায় পুরো পরিবার আজ দিশেহারা।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে পরিবারের সদস্যরা বলেন, “আমাদের শাওন আর কখনো ফিরে আসবে না। তার ছোট্ট সন্তান আজ বাবাহারা। আমরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

এদিকে, এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

গত ১০ জুলাই থেকে নিখোঁজ আবেদা আক্তার – সন্ধান চায় পরিবার

শাজন খুব সহজ-সরল মানুষ ছিল, তার ছোট্ট সন্তানটির দিকে তাকিয়ে হলেও হত্যাকারীদের বিচার চাই’—স্বজনদের আকুতি

প্রকাশের সময় : ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

রংপুর নগরীর খামার মোড় এলাকায় নৃশংস হামলায় নিহত যুবক শাওনের পরিবারের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ এলাকা। পরিবারের সদস্যদের দাবি, শাজন ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল ও পরিশ্রমী মানুষ। তার একটি ছোট্ট সন্তান রয়েছে, যে বাবার স্নেহ-ভালোবাসা থেকে চিরদিনের জন্য বঞ্চিত হলো।

শোকাহত স্বজনরা বলেন, শাজন কারও সঙ্গে কোনো বিরোধে জড়াতেন না। পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু নির্মম হামলায় তার জীবন প্রদীপ নিভে যাওয়ায় পুরো পরিবার আজ দিশেহারা।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে পরিবারের সদস্যরা বলেন, “আমাদের শাওন আর কখনো ফিরে আসবে না। তার ছোট্ট সন্তান আজ বাবাহারা। আমরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

এদিকে, এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।