
ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে আমানতকারীদের আশ্বস্ত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ব্যবস্থা রয়েছে এবং সেগুলো প্রয়োগের মাধ্যমে গ্রাহকদের অর্থ উত্তোলনে কোনো সমস্যা হবে না।
শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
গভর্নর জানান, ইসলামী ব্যাংকের জন্য প্রয়োজনীয় জরুরি তারল্য সহায়তা (ইমার্জেন্সি লিকুইডিটি সাপোর্ট) দেওয়া হবে। ফলে গ্রাহকরা যেকোনো সময় তাদের আমানতের টাকা তুলতে পারবেন।
তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক একটি বড় ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক। ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদে সদস্যসংখ্যা কমে যাওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্রুত একজন সদস্য নিয়োগ দিয়েছে, যাতে পরিচালনাগত কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকে।
ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার বিষয়ে গভর্নর জানান, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ইসলামী ব্যাংকের ঋণ-আমানত অনুপাত (এডিআর) ছিল ৯৩ শতাংশ, যা বর্তমানে বেড়ে ৯৭ শতাংশে পৌঁছেছে। অথচ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত সীমা ৯২ শতাংশ। এ কারণে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনাকে এ অনুপাত কমিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিতর্ক ও আন্দোলনের কারণে ব্যাংকটিতে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। ফলে অনেক গ্রাহক একযোগে টাকা উত্তোলন শুরু করলে এটিএম ও বিভিন্ন শাখায় তারল্য সংকট দেখা দেয়। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে একজন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে।
বর্তমান সংকট মোকাবিলায় ইসলামী ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার সহায়তা চেয়েছে













